ঢাকার ছোট্ট একটি স্বপ্ন থেকে শুরু হয়ে আজ সারা বাংলাদেশে লক্ষাধিক খেলোয়াড়ের বিশ্বস্ত সঙ্গী — jeya9-এর এই অসাধারণ যাত্রার গল্প জানুন।
২০১৯ সালের শেষ দিকে, যখন বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুতগতিতে বাড়ছিল এবং bKash ও Nagad-এর মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা সাধারণ মানুষের জীবনে বিপ্লব এনেছিল, ঠিক সেই সময়ে jeya9-এর যাত্রা শুরু হয়। ঢাকার একদল তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা স্বপ্ন দেখেছিলেন — বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ, বাংলাভাষী এবং সহজলভ্য অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার।
সেই সময়ে বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং বাজারে বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল ইংরেজিতে, এবং স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতির সাথে সংযুক্ত ছিল না। চট্টগ্রামের একজন রিকশাচালক থেকে শুরু করে সিলেটের একজন চা-বাগান শ্রমিক — সবার জন্য গেমিং অ্যাক্সেসযোগ্য করার লক্ষ্যে jeya9 তার প্রথম পদক্ষেপ নেয়।
"আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষ যেন তার নিজের ভাষায়, নিজের পেমেন্ট পদ্ধতিতে বিশ্বমানের গেমিং উপভোগ করতে পারে।" — jeya9 প্রতিষ্ঠাতা দলের বক্তব্য
২০২০ সালে jeya9 আনুষ্ঠানিকভাবে তার প্ল্যাটফর্ম চালু করে। প্রথম দিকে মাত্র কয়েকশো ব্যবহারকারী নিয়ে শুরু হলেও, মুখে মুখে প্রচার এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমী মানুষের কাছে BPL ও T20 বেটিং সুবিধার কারণে দ্রুত জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। সেই বছর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (BPL) সময় jeya9-এর ব্যবহারকারী সংখ্যা তিনগুণ বেড়ে যায়।
কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে যখন মানুষ ঘরে বন্দি, তখন অনলাইন বিনোদনের চাহিদা আকাশচুম্বী হয়ে ওঠে। jeya9 সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তার গেম লাইব্রেরি সম্প্রসারিত করে এবং Pragmatic Play, Evolution Gaming, NetEnt-এর মতো বিশ্বখ্যাত গেম প্রোভাইডারদের সাথে চুক্তি করে।
২০২১ সাল jeya9-এর জন্য ছিল একটি মাইলফলক বছর। এই বছর প্ল্যাটফর্মটি তার মোবাইল অ্যাপ চালু করে, যা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে অত্যন্ত মসৃণভাবে কাজ করে। রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল এবং রংপুরের মতো বিভাগীয় শহরগুলো থেকেও ব্যবহারকারীরা jeya9-এ যোগ দিতে শুরু করেন।
এই সময়ে jeya9 তার পেমেন্ট সিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করে। bKash ও Nagad-এর পাশাপাশি Rocket এবং Upay-এর মাধ্যমে লেনদেনের সুবিধা যোগ করা হয়। ডাচ-বাংলা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফারের ব্যবস্থাও চালু হয়। ফলে ময়মনসিংহ থেকে কক্সবাজার — দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে সহজেই লেনদেন করা সম্ভব হয়।
২০২২ সালে jeya9 তার লাইভ ক্যাসিনো বিভাগ চালু করে। Evolution Gaming-এর লাইভ ডিলার গেমগুলো বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কাছে অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তা পায়। লাইভ রুলেট, লাইভ ব্ল্যাকজ্যাক এবং লাইভ বাকারাত খেলার সুযোগ পেয়ে ব্যবহারকারীরা রীতিমতো উৎসাহিত হয়ে পড়েন।
বাংলাদেশ একটি ক্রিকেটপ্রেমী দেশ। টাইগার্সের প্রতিটি ম্যাচে সারা দেশ একসাথে উত্তেজনায় মেতে ওঠে। jeya9 এই আবেগকে সম্মান জানিয়ে তার ক্রিকেট বেটিং বিভাগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। BPL, IPL, T20 বিশ্বকাপ, ICC চ্যাম্পিয়নস ট্রফি — সব বড় টুর্নামেন্টে jeya9-এ লাইভ বেটিং করার সুযোগ রয়েছে।
২০২৩ সালে jeya9 তার প্ল্যাটফর্মে বড় ধরনের প্রযুক্তিগত আপগ্রেড করে। নতুন সার্ভার অবকাঠামো স্থাপনের ফলে লোডিং সময় ৬০% কমে আসে এবং একসাথে হাজার হাজার ব্যবহারকারী নিরবচ্ছিন্নভাবে খেলতে পারেন। ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন এবং উন্নত সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা হয়।
এই বছর jeya9 তার লয়্যালটি প্রোগ্রাম চালু করে — ব্রোঞ্জ, সিলভার এবং গোল্ড তিনটি স্তরে বিভক্ত এই প্রোগ্রামে নিয়মিত খেলোয়াড়রা বিশেষ সুবিধা পান। পহেলা বৈশাখ, ঈদ এবং বিজয় দিবসে বিশেষ বোনাস অফার চালু করা হয়, যা বাংলাদেশের সংস্কৃতির সাথে jeya9-এর গভীর সংযোগ প্রমাণ করে।
২০২৪ সালে jeya9 তার গেম লাইব্রেরিতে Spribe-এর Aviator এবং Ezugi-এর লাইভ গেমগুলো যোগ করে। ক্র্যাশ গেম বিভাগটি বিশেষভাবে তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এই বছর নিবন্ধিত সদস্য সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে যায়।
২০২৫ সালে jeya9 তার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করে। বাংলাদেশের সব বিভাগীয় শহরে স্থানীয় সাপোর্ট টিম গঠন করা হয়, যাতে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর এবং ময়মনসিংহের খেলোয়াড়রা তাদের নিজস্ব আঞ্চলিক ভাষায় সহায়তা পেতে পারেন।
২০২৬ সালে jeya9 আরও নতুন গেম ক্যাটাগরি যোগ করেছে এবং তার পুরস্কার বিতরণ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করেছে। প্রতি মাসে বিশেষ টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হচ্ছে, যেখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের খেলোয়াড়রা অংশ নিচ্ছেন এবং আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতছেন।
jeya9 সবসময় বিশ্বাস করে যে গেমিং হওয়া উচিত বিনোদনের একটি মাধ্যম — আসক্তির নয়। তাই প্ল্যাটফর্মে দায়িত্বশীল গেমিংয়ের জন্য বিশেষ সরঞ্জাম রয়েছে: ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন, কুলিং-অফ পিরিয়ড এবং বাস্তবতা-পরীক্ষার সুবিধা। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে একটি সুস্থ গেমিং সংস্কৃতি গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব।
jeya9-এর প্রতিটি গেম সার্টিফাইড RNG (Random Number Generator) প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও ন্যায্য ফলাফল নিশ্চিত করে। ফেয়ার প্লে আমাদের মূল নীতি।
jeya9 একটি নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম। SSL এনক্রিপশন, ফেয়ার প্লে এবং দায়িত্বশীল গেমিং — এই তিনটি স্তম্ভের উপর আমাদের সম্পূর্ণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
আজ jeya9 শুধু একটি গেমিং প্ল্যাটফর্ম নয় — এটি বাংলাদেশের অনলাইন বিনোদন জগতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। লক্ষাধিক বাংলাদেশির বিশ্বাস ও ভালোবাসা নিয়ে jeya9 এগিয়ে চলেছে আরও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে।
বিশ্বের সেরা গেম স্টুডিওগুলোর সাথে আমাদের অংশীদারিত্ব:
বছরের পর বছর ধরে আমরা কীভাবে বেড়ে উঠেছি
ঢাকায় একদল তরুণ উদ্যোক্তার হাত ধরে jeya9-এর পরিকল্পনা শুরু। বাংলাদেশের জন্য বাংলায় গেমিং প্ল্যাটফর্মের স্বপ্ন।
jeya9 আনুষ্ঠানিকভাবে চালু। BPL সিজনে ব্যবহারকারী তিনগুণ বৃদ্ধি। bKash ও Nagad পেমেন্ট সংযুক্তি।
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ চালু। Rocket ও Upay পেমেন্ট যোগ। সারা বাংলাদেশে বিস্তার।
Evolution Gaming-এর লাইভ ডিলার গেম। লাইভ রুলেট, ব্ল্যাকজ্যাক ও বাকারাত। ব্যবহারকারী ২০,০০০ ছাড়িয়ে।
নতুন সার্ভার অবকাঠামো। লয়্যালটি প্রোগ্রাম চালু। পহেলা বৈশাখ ও ঈদ বোনাস অফার।
Spribe Aviator ও Ezugi গেম যোগ। নিবন্ধিত সদস্য ৫০,০০০ ছাড়িয়ে। নতুন উচ্চতায় jeya9।
সব বিভাগীয় শহরে সাপোর্ট টিম। নতুন গেম ক্যাটাগরি। মাসিক টুর্নামেন্ট। ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে।
বাংলাভাষী ব্যবহারকারীদের জন্য সম্পূর্ণ বাংলায় পরিচালিত প্রথম প্রধান গেমিং প্ল্যাটফর্ম।
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো bKash, Nagad ও Rocket দিয়ে নিরবচ্ছিন্ন গেমিং পেমেন্ট।
৫০,০০০+ নিবন্ধিত সদস্য এবং প্রতিদিন হাজারো সক্রিয় খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত প্রাণবন্ত সম্প্রদায়।
১,২০০+ গেম — স্লটস, লাইভ ক্যাসিনো, ক্রিকেট বেটিং, ক্র্যাশ গেম সব এক জায়গায়।
লক্ষাধিক বাংলাদেশির বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মে যোগ দিন এবং বিশ্বমানের গেমিং উপভোগ করুন।